
মোঃ আব্দুল হক লিটনঃ
দেশজুড়ে যখন গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক আস্থার প্রশ্নে জনমনে গভীর অস্বস্তি, ঠিক সেই সময় রাজধানীর জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) পরিণত হয় গণতন্ত্রকামী মানুষের উত্তাল জনসমুদ্রে।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে আয়োজিত গণসংবর্ধনা শুধু একটি দলীয় কর্মসূচি নয়, বরং এটি বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার এক দৃশ্যমান প্রকাশে রূপ নেয়।
বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক সংলাপের সংকট, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির অভাব এবং তরুণ সমাজের মধ্যে ক্রমবর্ধমান হতাশার প্রেক্ষাপটে এই গণসংবর্ধনা নতুন করে আশার সঞ্চার করে। বিশেষ করে যুবসমাজের সক্রিয় ও শৃঙ্খলাবদ্ধ অংশগ্রহণ কর্মসূচিটিকে দেয় ভিন্ন মাত্রা।
এই বিশাল জনসমাবেশে ময়মনসিংহ বিভাগ বিএনপির পক্ষ থেকে নেতৃত্ব, সমন্বয় ও সাংগঠনিক দক্ষতায় যে কয়েকজন নেতা দৃশ্যমান ভূমিকা রাখেন, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শেখ নূরে আলম সিদ্দিকী (আলম)যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ময়মনসিংহ মহানগর যুবদল।
সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের আগমন, অবস্থান নির্ধারণ, শৃঙ্খলা রক্ষা ও কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মাঠে সক্রিয় ছিলেন তিনি।
গণসংবর্ধনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেখ নূরে আলম সিদ্দিকী আলম বলেন,
“বর্তমান বাস্তবতায় গণতন্ত্র কেবল একটি শব্দ নয়, এটি মানুষের ন্যায্য অধিকার। গণতন্ত্র ফিরবে রাজপথেই, আজকের এই গণঢল তারই প্রমাণ। জনগণ আর নীরব দর্শক থাকতে চায় না।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়েই এই দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে নিতে হবে।
শেখ নূরে আলম সিদ্দিকী আলমের নেতৃত্বে ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে বিপুল সংখ্যক যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মী এই গণসংবর্ধনায় অংশ নেন। তাদের সুশৃঙ্খল অবস্থান ও সংগঠিত উপস্থিতি প্রমাণ করে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চাপ ও প্রতিকূলতার মধ্যেও সাংগঠনিক শক্তি এখনো অটুট।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান, বর্তমান সময়ে রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হচ্ছে আস্থার পুনর্গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা। সে দিক থেকে শেখ নূরে আলম সিদ্দিকী আলমের মতো মাঠে সক্রিয়, দায়িত্বশীল যুবনেতাদের ভূমিকা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
এই গণসংবর্ধনা থেকে যে বার্তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, তা হলো—ভয়, অনিশ্চয়তা ও অনাস্থার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে জনগণ এখন অধিকারভিত্তিক রাজনীতির পথে ফিরতে চায়। আর সেই পথের লড়াইয়ে রাজপথকেই বেছে নেওয়ার প্রত্যয়ই উচ্চারিত হয়েছে ঢাকার এই গণঢলে।
শেখ নূরে আলম সিদ্দিকী আলমের কণ্ঠে উচ্চারিত বার্তা তাই কেবল একটি বক্তব্য নয়—বরং সময়ের বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে গণতন্ত্রের পক্ষে এক সুস্পষ্ট অবস্থান।