ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ)প্রতিনিধিঃ
আগামী ২৭ জুলাই (রোববার) সকাল ১১টায় ময়মনসিংহের শহীদ ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বরে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি স্কুল এসোসিয়েশন (নন-এমপিও), ময়মনসিংহ জেলা শাখা।
"বৃত্তি পরীক্ষা আমাদের অধিকার, অনুদান নয়" — শিশুদের প্রতি অবিচারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠছে শিক্ষক সমাজ।
শুক্রবার বিকেলে ধোবাউড়া ডিজিটাল প্রেস ক্লাবে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এসোসিয়েশনের জেলা সভাপতি ও প্রগ্রেসিভ কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক জি.এম. আজহারুল ইসলাম কাজল।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান মানিক
সানরাইজ কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক সাইদুল হক, চিরনদীপ কিন্ডারগার্টেনের এমদাদুল হক পাঠান, মায়ের আঁচল কলসিন্দুরের প্রতিষ্ঠাতা হারুন রশীদ, দি মেসেঞ্জার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রতিনিধি সোহেল রানা সহ অন্যান্যরা।
সভায় বক্তারা বলেন, কোনো শিশু যেন তার প্রতিষ্ঠানের ধরন দেখে রাষ্ট্রীয় বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারে—এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই বৈষম্যহীন শিক্ষা ও সমান সুযোগ।"
"সরকারি বৃত্তি পরীক্ষা কোনো দয়ার দান নয় এটা আমাদের শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক অধিকার। তারা আরও বলেন, "এবার আর থেমে থাকবো না। কোমলমতি শিশুদের চোখের পানি ও স্বপ্ন নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি না খেলে। এই দাবির পক্ষে শিক্ষার্থী শিক্ষক, অভিভাবকসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।"
প্রস্তুতি সভায় জানানো হয়, গত ২১ জুলাই জেলা এসোসিয়েশনের ২১ সদস্যের একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির নেতৃত্বে আছেন। চেয়ারম্যান: অধ্যাপক জি.এম. আজহারুল ইসলাম কাজল মহাসচিব: হযরত আহম্মেদ সাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক: খায়রুল আলম বাবুল
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন:
ভাইস চেয়ারম্যান: আফরোজ খান, ইসরাত জাহান ইভা, এ কে এম আব্দুল্লাহ
যুগ্ম মহাসচিব: হাবিবুর রহমান হাবী, অলক ঘোষ ছোটন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: রহুল আমিন, আশরাফুল ইসলাম
কোষাধ্যক্ষ: রফিকুল ইসলাম
দপ্তর সম্পাদক: আফতাব উদ্দিন কাঞ্চন
প্রচার সম্পাদক: মিজানুর রহমান মানিক
শিক্ষা ও আইসিটি বিষয়ক সম্পাদক: তানজিল আহমেদ
নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক: ফারজানা আক্তার লাবণী
সম্মানিত সদস্য: ওসমান গনি কুসুম, আবু সাঈদ, ফিরোজা আহমেদ, মোজাম্মেল হোসেন আশিক, আমজাদ হোসেন
সরকারি নীতির সীমাবদ্ধতায় যেখানে প্রাথমিক স্তরে শতভাগ বৃত্তি পরীক্ষার অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হয়নি, সেখানে নন-এমপিও শিক্ষার্থীরা বারবার অবহেলার শিকার হচ্ছেন। অথচ তারাও সমানভাবে পরিশ্রম করে, ফলাফল দেয়, স্বপ্ন দেখে। কিন্তু শুধু "প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি"র অজুহাতে তাদের বঞ্চিত রাখা হচ্ছে।
"অধিকার, দয়া নয় — বৃত্তি পরীক্ষা সবার জন্যই চাই"
এই আহ্বানেই বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করছে, আর শিক্ষকরা লড়ছেন তাদের ভবিষ্যতের আলো জ্বালাতে।