
ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
যারা পরিশ্রম করেন, তারাই জয়ী হন—এই চিরন্তন সত্যই যেন আবারও প্রমাণ করলেন সাংবাদিক ও সংবাদযোদ্ধা সৈয়দ মোর্শেদ কামাল মিজান। দীর্ঘদিনের নিবেদিত প্রচেষ্টা, পেশাদারিত্ব ও সাংবাদিকতায় অবিচল নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি স্যাটেলাইট চ্যানেল ‘আনন্দ টিভি’র ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।
চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে মিজান হয়ে উঠেছেন গণমাধ্যমের নির্ভরযোগ্য এক নাম। বিভিন্ন সময় তিনি মাঠপর্যায়ে দুঃসাহসিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, দুর্নীতির চিত্র, সামাজিক অসঙ্গতির তথ্য এবং উন্নয়নধর্মী সংবাদ উপস্থাপন করে জনপ্রিয়তা ও সম্মান কুড়িয়েছেন।
তাঁর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ‘অভিযান নিউজ’ নামে একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যেখানে তিনি সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। সেখানে তিনি সাহসী ও সঠিক তথ্যনির্ভর প্রতিবেদনের মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করেন।
নতুন এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহের সাংবাদিক সমাজে ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। অনেক সিনিয়র সাংবাদিক এবং সহকর্মীরা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারাও তার এ অর্জনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বলেছেন—
সৈয়দ মোর্শেদ কামাল মিজান তার সততা, পরিশ্রম ও দায়বদ্ধতার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন, সৎ সাংবাদিকতা এখনও সম্ভব। এই নিয়োগ তরুণ সাংবাদিকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা।”
নিয়োগ পাওয়ার পর সৈয়দ মিজান প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আনন্দ টিভির মতো প্রতিষ্ঠিত একটি জাতীয় টিভি চ্যানেলের জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য গৌরবের। এটা যেমন আমার ব্যক্তিগত এক অর্জন, তেমনি সাংবাদিকতা পেশার প্রতি আমার দায়বদ্ধতাও বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি চাই জনগণের কথা আরও বেশি করে তুলে ধরতে, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদে সমাজকে জাগাতে। সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।”
জানা গেছে, ইতোমধ্যে আনন্দ টিভি কর্তৃপক্ষ তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান করেছে। খুব শিগগিরই তিনি ওই টেলিভিশনের ব্যানারে সক্রিয়ভাবে মাঠপর্যায়ের সংবাদ কাভারেজ শুরু করবেন।
স্থানীয় সাংবাদিকদের ভাষ্য মতে, তার এই সাফল্য আগামী প্রজন্মের সংবাদকর্মীদের জন্য পথনির্দেশক হয়ে থাকবে।
ময়মনসিংহের স্থানীয় সংবাদকর্মী হিসেবে মিজান বহুদিন ধরে মাঠে ঘাটে সংবাদ সংগ্রহ করে জনমত গঠনের কাজ করে চলেছেন। তিনি দুর্নীতি, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, মানবিক গল্প, শিক্ষাখাত ও স্বাস্থ্যখাতের অনিয়মসহ নানা বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন সবসময়।