
মোঃ আব্দুল হক লিটনঃ।
আইন পেশা পৃথিবীর অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ক্ষেত্র, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীরা যেমন ভূমিকা রাখেন, তেমনি সমাজে ন্যায়ের বোধ জাগিয়ে তুলতে সাংবাদিকের ভূমিকা আরও বিস্তৃত ও গভীর। আইন সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করে আদালতে, আর সাংবাদিকতা সেই সত্যকে পৌঁছে দেয় মানুষের হৃদয়ে।
শিক্ষার কোনো শেষ নেই, বিশেষ করে যারা কলমের মাধ্যমে সমাজের দর্পণ তুলে ধরেন, তাদের জন্য জ্ঞানের পরিধি যত বড় হবে, ততই শক্তিশালী হবে তাদের কলম। বর্তমান যুগে আইন শেখা আর কঠিন নয়, অনলাইন বা গুগলে সহজেই পাওয়া যায় ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানি আইন, তথ্য অধিকার আইনসহ অসংখ্য আইনি তথ্য ও বই।
একজন সাংবাদিক যদি আইনের প্রাথমিক ধারণা রাখেন, তবে তিনি কেবল সংবাদের প্রতিবেদক নন, তিনি হয়ে ওঠেন ন্যায়ের সহযোদ্ধা। আইন জানা সাংবাদিক কখনো অন্ধকারে পথ হারান না, বরং আইনের আলোয় সত্যের পথটিই আলোকিত করেন।
আজকের দিনে সাংবাদিকদের ফৌজদারী কার্যবিধি (Criminal Procedure Code), দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code), সংবিধান এবং সাইবার আইন সম্পর্কে জানা অপরিহার্য। এতে একদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে বিব্রত হতে হয় না, অন্যদিকে ভূমি বা দেওয়ানি জটিলতাও সহজে মোকাবিলা করা যায়।
আইন পেশা যেমন সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রতীক, তেমনি সাংবাদিকতা সেই ন্যায়ের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সর্বোচ্চ মাধ্যম। আর তাই বলা যায়,আইন ন্যায় প্রতিষ্ঠা করে, সাংবাদিকতা ন্যায়কে জীবন্ত রাখে।
একজন সচেতন, আইনজ্ঞানসম্পন্ন সাংবাদিকের সামনে কেউ সহজে ভুল ব্যাখ্যা দিতে পারে না, কেউ তাকে ছোট করে কথা বলতে পারে না। কারণ, তিনি জানেন নিজের অধিকার, আর জানেন কীভাবে ন্যায় প্রতিষ্ঠার পথে সত্যের পাশে দাঁড়াতে হয়।


















