
মোঃ আব্দুল হক লিটনঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবার দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় আপসহীন অবস্থানে। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যাকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হবে, তাকেই বিজয়ী করতে হবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ নির্বাচনে গেলে কিংবা মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নির্দেশনা দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
দলীয় সূত্র জানায়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি কোনোভাবেই অভ্যন্তরীণ বিভক্তি মেনে নেবে না। বিদ্রোহী প্রার্থী, গোপন বিরোধিতা কিংবা ব্যক্তিস্বার্থের রাজনীতির বিরুদ্ধে এবার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট–ধোবাউড়া) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেন। তাঁর মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকে কেন্দ্র করে পুরো নির্বাচনী এলাকায় নতুন রাজনৈতিক গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিনে মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ এবং বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ প্রায় হাজারো মানুষ সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের নেতৃত্বে বিএনপিতে যোগদান করেছেন। তারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির রাজনীতিতে আস্থা প্রকাশ করে ধানের শীষের পক্ষে মাঠে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেছেন।
নবযোগদানকারীরা জানান, সাম্য, সম্প্রীতি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের রাজনীতিতে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের ভূমিকা তাদের অনুপ্রাণিত করেছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের এই অংশগ্রহণকে বিএনপির শক্তি ও গণভিত্তির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন দলীয় নেতারা।
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রতীক। যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করাই এখন দলের সর্বোচ্চ কর্তব্য। এর ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বানিয়েছেন, তারেক রহমানের এই কঠোর নির্দেশনা এবং সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের নেতৃত্বে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও ধর্মের মানুষের বিএনপিতে যোগদান ময়মনসিংহ-১ আসনে দলের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। এতে করে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে জনসমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে তারা মনে করছেন।






















