মহানগর যুবদলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে আলোচনায় রাজপথের সাহসী সৈনিক আলম

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ময়মনসিংহ মহানগর যুবদল আজ শুধু একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নাম নয়, বরং দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী ও আলোচিত সাংগঠনিক ইউনিট। আর এই সংগঠনের রাজপথকেন্দ্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে যেসব নেতাকর্মী দুঃসময়ে সাহস, ত্যাগ ও নেতৃত্বের গুণাবলী দিয়ে নিজেদের আলাদা অবস্থানে নিয়ে গেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম নাম নূরে আলম সিদ্দিকী (আলম)।

বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের ২ নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি নিজেকে শুধু একজন সাংগঠনিক কর্মী হিসেবেই নয়, বরং রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

রাজনৈতিক সহকর্মীরা জানান, দুঃসময়ের আন্দোলনে যারা সামনে থেকেছেন, আলম তাদেরই একজন।
তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু নব্বই দশকের শেষভাগে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে। ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের রতন-টুটু কমিটিতে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হলেও খুব অল্প সময়েই তিনি কর্মীদের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন।

See also  জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে দুখু, এখন কিছুটা সুস্থ, জুলাই আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা ছিল প্রশংসিত

পরবর্তীতে শামীম আজাদ–রোকন কমিটিতেও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজপথে সক্রিয় অংশগ্রহণ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও সাহসী অবস্থানের কারণে তিনি আলাদাভাবে পরিচিতি লাভ করেন।

বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসনের সময় ময়মনসিংহের রাজপথে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আন্দোলন-সংগ্রামে নূরে আলম সিদ্দিকী আলম ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। রাজনৈতিক সহকর্মীরা জানান, জেল-জুলুম, মামলা-হামলা, পুলিশি হয়রানি কিংবা প্রতিকূল পরিস্থিতি কখনো তাকে আন্দোলনের মাঠ থেকে সরিয়ে দিতে পারেনি। বরং প্রতিটি কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের সাহস ও মনোবল জোগাতে তিনি ছিলেন সামনের সারিতে।

দলের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কর্মীবান্ধব আচরণের কারণেই মহানগর যুবদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যেও তার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান, দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং ত্যাগী ভূমিকার কারণেই তিনি মহানগর যুবদলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের আলোচনায় উঠে এসেছেন।

See also  ধোবাউড়ায় প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার নবযাত্রা: ‘ডিজিটাল প্রেসক্লাব’ এর শুভ উদ্বোধন

আন্দোলনের বিভিন্ন সময় তার নেতৃত্বে মিছিল, সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণও তাকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে। নেতাকর্মীরা বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দল ও আদর্শকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণেই তিনি আজ কর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীক।

রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই মনে করেন, পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের হাত ধরেই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গড়ে ওঠে। আর সেই বাস্তবতায় ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের আগামীর নেতৃত্বে নূরে আলম সিদ্দিকী আলমের নাম এখন বেশ আলোচিত।

তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, রাজপথে সাহসী ভূমিকা এবং সংগঠনের প্রতি নিবেদন তাকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে।

About Abdul Hoque Liton

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share with