
মোঃ আব্দুল হক লিটন:
ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা বদরুজ্জামান নির্বাচনী প্রচারণার সময় স্পষ্ট করে ঘোষণা করেছেন, আমি শাসক হতে চাই না, জনগণের সেবক হতে চাই।
গৌরীপুরকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারে তিনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, রাস্তাঘাট, কর্মসংস্থান, আবাসন ও চিকিৎসাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নয়নের রূপরেখা প্রকাশ করেছেন।
দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনা মোকাবিলায় সমন্বিত পরিকল্পনায়, মাওলানা বদরুজ্জামান বলেন, গৌরীপুরের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বঞ্চনার শিকার। এখানে স্থায়ী সমাধান আনতে হলে সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য। আমি সেই দায়িত্ব নিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
তিনি যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ নজর, দরিদ্রদের চিকিৎসা সহায়তা বৃদ্ধি, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে যুগোপযোগী উন্নয়ন,বেকারত্ব দূরীকরণ ও আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণে কাজ করবেন তিনি।
শুক্রবার সকালে নির্বাচনী এলাকায় তার শোভাযাত্রা, মোটরসাইকেল র্যালি এবং পদযাত্রা গণসংযোগে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় এবং প্রতিশ্রুতি ভাগাভাগি করার মধ্য দিয়ে প্রতিদিনই জনতার উৎসাহ বাড়ছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, বিএনপি প্রার্থীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিভাজনের কারণে জামায়াত প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে। তারা আশা করছেন, জনগণ এবার পরিবর্তন চান এবং সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রে থাকবেন বদরুজ্জামান।
প্রতিটি পথসভা শেষে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিন। গৌরীপুরের উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে সবাইকে আমার পাশে থাকতে হবে। আমরা একসাথে এই উপজেলার উন্নয়নের ইতিহাস লিখব।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিএনপির অভ্যন্তরীণ ফাটল এবং প্রার্থী বিভাজনের সুযোগে জামায়াতের উন্নয়নমুখী প্রচারণা নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান করছে।
তাদের মতে, গৌরীপুরবাসী এবার বাস্তবসম্মত উন্নয়ন ও সেবামূলক নেতৃত্বের খোঁজে প্রতিশ্রুতিশীল প্রার্থীকে সমর্থন দেবে।
মাওলানা বদরুজ্জামানের এই প্রচারণা এবং উন্নয়নমূলক অঙ্গীকার ভোটারদের মধ্যে নতুন আশা ও প্রত্যাশা সৃষ্টি করছে। তার নেতৃত্বে গৌরীপুরকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ এবং শিক্ষিত উপজেলায় রূপান্তরের লক্ষ্যে জনগণ এখন আগ্রহী ও উৎসাহী।


















