ষড়যন্ত্রে ফাঁসানো যায়, জনগণের ভালোবাসা কেড়ে নেওয়া যায় না’—চেয়ারম্যান মুক্তা

মোমেনা আক্তার সোনিয়া, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলা ৮ নং রাঙ্গামাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুক্তার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওঠা অভিযোগকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন তিনি ও তার সমর্থকরা। তাদের দাবি, নির্বাচনের সময় জনগণের বিপুল সমর্থনে বিজয়ী হওয়া চেয়ারম্যানকে বিভিন্নভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

চেয়ারম্যান মুক্তার সমর্থকরা জানান, আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুক্তা। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেন। বিশেষ করে বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাঁচা রাস্তা হেরিংবোন পদ্ধতিতে সংস্কার, জনগণের সরকারি সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং জনস্বার্থে নানা উদ্যোগ নেওয়ার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।

See also  ঈশ্বরগঞ্জে ফসলি জমিতে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ফসল নষ্টের অভিযোগ

তারা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি সব মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেন না। ফলে ভালো কাজ করলেও কিছু মানুষের বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়। চেয়ারম্যান মুক্তার ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে বলে দাবি তাদের।
সম্প্রতি চেয়ারম্যানকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে পূর্বপরিকল্পিত বলে অভিযোগ করেছেন তার সমর্থকরা। তাদের দাবি, চেয়ারম্যানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই একটি মহল এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
কয়েকটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এ ষড়যন্ত্র করা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে চেয়ারম্যানের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, জমি সংক্রান্ত একটি বিষয়, যা এর আগে ইউনিয়ন পরিষদে সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছিল এবং মাদকের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান ছিলেন কঠোর অবস্থানে।

See also  ফুলবাড়িয়ায় প্রশাসনের অভিযানে চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস

সমর্থকরা আরও বলেন, ভুল-ত্রুটি সবারই থাকে। কেউ শতভাগ ভালো মানুষ নয়। চেয়ারম্যান মুক্তারও সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানো এবং মানহানি করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুক্তার বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধিকে ষড়যন্ত্র করে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। যারা আড়ালে থেকে ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।
কোনো ঘটনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করা উচিত। ষড়যন্ত্রে ফাঁসানো যায়, কিন্তু জনগণের ভালোবাসা কেড়ে নেওয়া যায় না। জনগণই শেষ পর্যন্ত সত্যের বিচার করবে।

About Abdul Hoque Liton

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share with