ফুলপুর-তারাকান্দার আশা ও পরিবর্তনের প্রতীক—সাহসী তরুণ নেতা জোবায়েদ হোসেন শাকিল

মোঃ আব্দুল হক লিটনঃ

রাজনীতির মাঠে যখন হতাশা, বিভাজন ও স্বার্থের প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে—তখন এক তরুণ নেতা নীরবে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন শাকিল, ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশী।
ফুলপুর ও তারাকান্দা অঞ্চলের প্রত্যন্ত জনপদে এখন তার নাম উচ্চারিত হচ্ছে পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে, একজন সাহসী, ত্যাগী ও মানবিক নেতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে।

তার অনুসারীরা বলছেন, শাকিলের রাজনীতি বইয়ের পাতায় নয়, রাজপথে। তিনি রাজনীতি শিখেছেন মানুষের কাছ থেকে, সংগ্রামের ভিতর দিয়ে। বছরের পর বছর তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করেছেন, সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ভাগ করে নিয়েছেন। তাঁর এই মাঠকেন্দ্রিক রাজনীতি তাঁকে আজ ফুলপুর-তারাকান্দার জনগণের কাছে একজন আপনজন করে তুলেছে।

রাজনৈতিক জীবনে ৭২টি মামলা এবং সাতবার কারাবরণ, কোনোটিই শাকিলকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। প্রতিবার তিনি ফিরে এসেছেন আরও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে, আরও পরিপক্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে।
তাঁর দলের অনেক নেতারাই বলেন, “শাকিল কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। বরং তিনি শিখিয়েছেন কষ্টকে শক্তিতে রূপান্তর করতে।”

See also  ঈশ্বরগঞ্জের বিতর্কিত পিআইও রেজাউল করিমের বদলি

শাকিল নিজেই বলেন, কারাগার আমাকে ভয় দেখায় না, বরং মনে করিয়ে দেয় আমি জনগণের অধিকারের জন্য লড়ছি। রাজনীতি মানে মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনা।

শাকিলের রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনসংযোগ ও মানবিক সম্পর্ক।
তিনি প্রতিদিন মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন, কখনও অসুস্থ কর্মীর চিকিৎসা, কখনও গরিব কৃষকের জমির বিরোধ মীমাংসা, কখনও আবার বন্যা বা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো।
এ কারণে প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষও তাকে নিজের লোক বলে মানে।

একজন বয়স্ক কৃষক নেকবর আলী বললেন, আমরা অনেক নেতা দেখেছি, কিন্তু শাকিল ভাইয়ের মতো মানুষ দেখি নাই। তিনি ভোটের সময় আসেন না, সারাবছরই পাশে থাকেন।

বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে যেখানে প্রতিপক্ষকে দমন আর প্রতিশোধ নেওয়া এক প্রকার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, সেখানে শাকিল আলাদা এক বার্তা দেন,তিনি বলেন,
রাজনীতি হতে হবে সহনশীল। প্রতিপক্ষও জনগণের অংশ। মামলা-হামলার রাজনীতি শেষ না হলে দেশ এগোবে না।
তাঁর দৃষ্টিতে, যোগ্য নেতৃত্ব মানে শুধু বক্তৃতা নয়, বরং মানুষের মন বোঝা, তাদের জীবনে পরিবর্তন আনা। তিনি চান, রাজনীতি আবার ফিরে যাক মানুষের ঘরে, মানুষের বিশ্বাসে।

See also  সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অর্ধকোটি টাকার মাদক ও চোরাচালানী মালামাল আটক

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, ফুলপুর-তারাকান্দার রাজনীতিতে এখন পরিবর্তনের হাওয়া বইছে।
জনগণ চায় এমন একজন নেতা, যিনি সংগঠন জানেন, মাঠ বোঝেন, এবং তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার ভাষা বুঝতে পারেন।
তারা মনে করেন, শাকিল সেই প্রজন্মের নেতৃত্বের সেতুবন্ধন, যিনি ত্যাগ, সাহস ও সততার মিশেলে রাজনীতিকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যেতে পারেন।

একজন শিক্ষক তার অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, যুব সমাজের হতাশা ঘুচাতে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যে বিশ্বাস জাগাতে পারে, রাজনীতি এখনও মানুষের সেবার জন্য।
আজ ফুলপুর-তারাকান্দার প্রতিটি বাজারে, প্রতিটি চায়ের দোকানে একটাই আলোচনা,
এই ত্যাগী তরুণ নেতার মধ্যেই তারা দেখতে পাচ্ছে আগামী দিনের আলোর দিশা। সাধারণ মানুষের কণ্ঠে একটাই প্রত্যাশা, ত্যাগী, সৎ ও পরিশ্রমী এই নেতাকেই আমরা আমাদের এমপি হিসেবে দেখতে চাই।

About Abdul Hoque Liton

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share with