
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দেশজুড়ে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ প্ল্যাটফর্ম “বিজয় ৭১ টিভি” আজ শুধু একটি সংবাদ মাধ্যম নয়—এটি একটি অনুভূতির নাম, একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবনার প্রতিচ্ছবি। এই প্ল্যাটফর্মের শুরুটা আজ থেকে সাত-আট বছর আগের কথা। হঠাৎই এক সময় নিয়মিতভাবে খবর প্রচার হতে থাকে এই চ্যানেল থেকে। শুরুতে ছিল অনিয়মিত কিছু আপলোড, তারপর ধীরে ধীরে নিয়মিত নিউজ আপলোড এবং দর্শকসংখ্যা বাড়তে থাকে।
এ সময় এক উল্লেখযোগ্য নাম উঠে আসে সামনে—উপস্থাপিকা শ্রাবণী সরকার।
তিনি শুধু একজন নিউজ প্রেজেন্টার ছিলেন না, বরং বিজয় ৭১ টিভির প্রাণপুরুষের মতো হয়ে উঠেছিলেন। ময়মনসিংহের ফুলপুর থেকে উঠে আসা এই সাহসী ও প্রতিভাবান তরুণী তার সাবলীল উপস্থাপনা, স্পষ্ট উচ্চারণ ও আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিমায় অল্প সময়েই দর্শকদের মন জয় করে নেন।
শ্রাবণী সরকারের কণ্ঠে ছিল তথ্যের গভীরতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা, আর চোখেমুখে ছিল খবরের প্রতি একাগ্রতা ও দায়বদ্ধতা। বিজয় ৭১ টিভির স্টুডিওতে তার নিয়মিত উপস্থিতি এবং সময়মতো সংবাদ পরিবেশন চ্যানেলটিকে একটা নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
অনেকেই বলেন, বিজয় ৭১ টিভির যাত্রার শুরুটা যতটা কৌশল ও প্রযুক্তি নির্ভর ছিল, ঠিক ততটাই ছিল শ্রাবণী সরকারের উৎসাহ, উদ্দীপনা ও নিষ্ঠা নির্ভর। শুধু চ্যানেলেই নয়—তার পরিবারও ছিলেন এই উদ্যোগের একজন নীরব সহযোগী। তার বাবা-মা ও ভাই ছিলেন এ পথচলার অন্তরঙ্গ অংশীদার। এমনকি প্রতিষ্ঠাতা বলেছিলেন, “ওদের পরিবারের সাথে এতই ঘনিষ্ঠতা ছিল যে মনে হতো আমি এই পরিবারের একজন সদস্য।”
যদিও বর্তমানে ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় শ্রাবণী সরকার নিয়মিত উপস্থাপনা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, তার অবদান এখনো বিজয় ৭১ টিভির প্রতিটি শিরোনামে প্রতিফলিত হয়। তার দেখানো পথ ও কর্মনিষ্ঠা এখনও চ্যানেলের প্রাণশক্তি হয়ে রয়েছে।
বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে ফোন করে দর্শকেরা যখন চ্যানেলটি পুনরায় চালু করার অনুরোধ করেন, তখন শ্রাবণী সরকারের স্মৃতি ও প্রেরণা বারবার ফিরে আসে। বিজয় ৭১ টিভি এখন নিয়মিত সংবাদ পরিবেশন করলেও, সেই শুরুর দিনগুলো, সেই কণ্ঠস্বর—সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছেন একটাই নাম: শ্রাবণী সরকার।






















