
তপু রায়হান রাব্বি ফুলপুর(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার কাকনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক সহ স্থানীয়রা। মঙ্গলবার(৪ নভেম্বর) বেলা ১১ টায় উপজেলাধীন ৩ নং কাকনী ইউনিয়নের কাকনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর বিরুদ্ধে স্থানীয় ১৫০ থেকে ২শ জন লোকের উপস্থিতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমবেশ করেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, কাকনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোঃ মোখলেছুর রহমান দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও সহকর্মীদের সাথে অশোভন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে চলেছেন। বিশেষ করে, উপজেলার আউশধার গ্রামের মফিজ উদ্দিন ও আনিসা খাতুনের ছেল অত্র বিদ্যালয়ের একজন ক্যান্সার আক্রান্ত কর্মচারী মোঃ নূরুজ্জামান যিনি চিকিৎসা শেষে পুনরায় চাকরিতে যোগদানের আবেদন করেছিলেন, তার প্রতি অমানবিক আচরণ প্রদর্শন করে তাঁকে পুনর্বহাল হতে বাধাঁ দিয়েছেন। এ ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা, মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী আচরণ এবং সহকর্মীদের প্রতি অসৌজন্যমূলক ব্যবহার বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু শিক্ষা পরিবেশ বিনষ্ট করছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয় শ্রেণিতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্টদের তদন্ত সাক্ষাৎ অতি জরুরী প্রধান শিক্ষকের এমন আচরণে আইনানুগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ নুরুজ্জামানকে সম্মানের সাথে চাকরিতে ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানায়।
শিক্ষক নুরুজ্জামান সংবাদকর্মী তপু রায়হান রাব্বিকে বলেন, আমি কাকনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করে ২০১৩ সালে। পরে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ২৬ তারিখ ভর্তি হন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারে তার গলায় ক্যান্সারের ওপর নিয়েছে। তাৎক্ষণিক উন্নত চিকিৎসা নেবার জন্য বলেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাই সিএমপি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। চিকিৎসা শেষে সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ দেশে ফিরেন। ছুটি ও যোগদানেন জন্য আবেদন করেন প্রধান শিক্ষক মোখলেছুর রহমান স্যারের বরাবর। প্রধান শিক্ষক সে আবেদন রাখেননি। পড়ে ঢাক যোগাযোগেও পাঠানো হয় হে আবেদন রাখেননি প্রধান শিক্ষক। পরে এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরও আমি লিখিত আবেদন করি। তবে কোন সুরাহা পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলে, এ বিষয়ে জানতে পেরেছি। ঐ শিক্ষক একটা লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। আমরা খুব শীঘ্রই ইউএনও স্যার সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে তদন্ত কমিটির মাধ্যমে উক্ত বিষয়টি দেখা হবে ।
এ বিষয়ে তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে অতি জরুরী তদন্ত সাক্ষেপ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


















