
মোঃ আব্দুল হক লিটনঃ
অযোগ্য কাউকে যতই সৌন্দর্য দিয়ে ঘিরে রাখা হোক, যতই তাকে সুযোগ, সম্মান ও মর্যাদা দিয়ে সামনের কাতারে দাঁড় করানো হোক, সে শেষপর্যন্ত ফিরে যায় তার স্বাভাবিক প্রকৃতির কাছেই।
যেমন নর্দমার কিটকে সোনার খাঁচায় রাখা হলেও, তার স্বভাব পরিবর্তন হয় না। কারণ তার রুচি, চিন্তা আর অভ্যাস গড়ে উঠেছে নোংরার ভিতরেই। একে রাজপথে বসিয়ে আদর্শ বানানোর যত চেষ্টা করা হোক না কেন, সে তার জন্মস্থানের দুর্গন্ধেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
আজকের সমাজে এমন অসংখ্য চিত্র প্রতিনিয়ত দৃশ্যমান, যেখানে সুযোগপ্রাপ্ত অযোগ্য ব্যক্তিরা যোগ্যতার আলো গ্রহণ না করে বরং অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় এবং সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে।
অযোগ্যতার ওপর বারবার যোগ্যতার প্রলেপ দিলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। প্রকৃতির নিয়মে যা নীচ, সে বারবার নিচেই নামতে বাধ্য হয়।
এই অভিজ্ঞতা আমাদের শেখায়, সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক জায়গায় বসানোর বিকল্প নেই। নইলে সমাজে নীতির জায়গা নেয় অযোগ্যতার সাহস, আর সেখানে জন্ম নেয় বিশৃঙ্খলা, হতাশা আর বিপর্যয়।
সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে এখন সময় এসেছে প্রতিটি অবস্থান ও দায়িত্বের আগে সততা ও যোগ্যতার মানদণ্ডকে গুরুত্ব দেওয়ার। নইলে নর্দমার কিটেরা সোনার খাঁচার দম্ভ নিয়ে বারবার সমাজকে অপমান করবে।






















