
¨স্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পৃথক অভিযানে অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও ৩০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে একজন অস্ত্র কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকলেও অপর দুজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিবি পুলিশের প্রথম অভিযানে ৬ জুলাই রাত ৯টা ১০ মিনিটে কোতোয়ালী থানা এলাকার গলগন্ডা সাকিনে এক টিনশেড ঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভাড়াটিয়া সেজে অবস্থান নেওয়া পাইকা শিমুল এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া (২৪) কে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও একটি স্কুল ব্যাগ উদ্ধার করা হয়।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই তোয়াবুল ইসলাম খান ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স এই অভিযান পরিচালনা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সজিব মিয়া অস্ত্র কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অপরদিকে, একই দিন রাত ৮টায় মুক্তাগাছা থানা এলাকার পয়ারকান্দি সাকিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাউন্ডারির পেছনে বিশেষ অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। অভিযানে ৩০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারি—কোতোয়ালী থানার চর ধরি কুষ্টিয়া (বালুর চর) এলাকার মোঃ মোরশেদ আলম (২৮) ও মুক্তাগাছা থানার পয়ারকান্দি এলাকার মোঃ আল আমিন (২০)কে গ্রেফতার করা হয়।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই মোঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতরা মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় মাদক সরবরাহ করছিল।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতার তিনজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানা ও মুক্তাগাছা থানায় পৃথক মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার ময়মনসিংহের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ)–এর দিকনির্দেশনায় পরিচালিত এসব অভিযানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তৎপরতা মাদক ও অস্ত্র চক্রের বিরুদ্ধে অব্যাহত থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।






















