
ফুলপুরে সেতু থাকলেও দুই পাশে মাটি নেই, কাজ ধরবেন বলে আশ্বাস দিলেন ইউএনও
———
তপু রায়হান রাব্বি
ফুলপুর(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ২০২২-২৩ অর্থবছরের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ কর্মসুচীর আওয়তায় সেতুর নির্মাণ কাজ এক বছর আগে শেষ হলেও এখনও সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট করা হয়নি। ফলে সরকারের মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়ে সেতুটি নির্মান করা হলেও সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট না করায় সেতুটি জনকল্যাণে কোন ভুমিকা রাখছেনা। এমন অভিযোগ স্থানীয় এলাকাবাসীর।
সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, ব্রীজ নির্মিত হলেও দুপাশে সংযোগ সড়ক বা মাটি না থাকায় সেটি জনগণের কোনো কাজে আসছে না, যা এই এলাকার মানুষের জন্য একটি বড় সমস্যা। সড়ক থেকে বৃষ্টির প্রায় ৪/৫ ফুট উঁচুতে, মাটি ভরাট না করা, পরিকল্পনার ত্রুটি এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবের কারণে মূলত এই সমস্যা দেখা যায়, যার ফলে ব্রীজ থাকা সত্ত্বেও যাতায়াত ব্যবস্থা অচল থাকে. বর্ষাকালে এই সমস্যা আরো বাড়ে কারণ তখন সেতুর দুপাশে পানি জমে যায়, ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে মই ব্যবহার করে বা অন্য উপায়ে পার হতে হয়।
জানা গেছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রোগ্রাম ফর সার্পোটিং করাল ব্রীজেস (এসইউপিআরবি) প্রকল্পের নামে চুক্তিমূলা: ৯,০৪,২৪,০০০ টাকায় উপজেলাধীন, বাহাদুরপুর জিসি-ভাইটকান্দি জিসি সড়বের ৩,৩৫০ মিটার চেইনেজে ৮৫.০৬ মিটার দীর্ঘ পিএসসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ করেন ১ বছর আগে। ২০২৩ সালের মে মাসের ০৩ তারিখ কাজ শুরু করে ২৪/১০/২০২৪ইং এ কাজ সম্পন্ন করেন MSI-MTN (JV), Sacar, Mymensingh ঠিকাদার সংস্থাটি। উক্ত কাজে তদারকি করেছিলেন উপজেলার সাবেক প্রকৌশলী কর্মকর্তার মোঃ রাকিব উল হাফিজ।
গ্রামের অনেকেই বলেন, এ সেতুটি নির্মাণ করা হলেও জনগণের কোনো উপকারে আসছে না। সেতুর দুপাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। এখন পায়ে হেঁটে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে সেতুর দুই পাশে পানি থাকে ফলে তখন কেউ চলাচল করতে পারে না। উক্ত কাজটি বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের পর থেকে আর কোন খোঁজে নেননি কেউ। তবে উপজেলা প্রশাসন মহোদয়কে অনুরোধ করবো বিষয়টি একটু দ্রুত গতিতে পরিদর্শন সহ সমাধান করার জন্য।
এ বিষয়ে নব যোগদানকৃত পিআইও বেগম শাহীন সংবাদকর্মী তপু রায়হান রাব্বি কে বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা ছিল না, আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম খুব দ্রুতগতিতে ব্যবস্থা গ্রহণ ইনশাল্লাহ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক সাদিয়া ইসলাম সীমা বলেন, আমি যোগদান করার আগেই কাজটি সম্পন্ন হয় এবং এ বিষয়ে আমাকে কেউ অবগত করেননি। আজি আপনার মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হলাম। এ বিষয়ে আমি আজই কথা বলব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্রিজের দুই পাশের সংযোগ সড়ক সংস্কার করে জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করা হবে।






















