
মোঃ আব্দুল হক লিটনঃ
আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দমননীতি, দুর্নীতি এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের উদ্যোগে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার রাতের এই মিছিল শুরু হয় পাট গুদাম ব্রিজ মোড় থেকে এবং স্টেশন রোড, গাঙ্গিনাপাড়সহ শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মূলত সরকারের লকডাউন ঘোষণা এবং রাজনৈতিক দমননীতি নিয়ে নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে।
মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জুবায়েত হোসেন শাকিলের নির্দেশে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুল ইনসানের নেতৃত্বে মিছিলটি পরিচালিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন শত শত যুবদল নেতা-কর্মী। তাদের মধ্যে ছিলেন ইমতিয়াজ হাসান রাজিব, আবুজার গিফফারী, আসলাম খান, আজাদ শিকদার, আবিদুর রহমান রাসেল, সাদ্দাম খান ও জুলহাস মিয়া। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করে মিছিলকে আরও শক্তিশালী করে তুলেন।
মিছিল চলাকালীন রাজপথ মুখরিত হয় তীব্র শ্লোগানে। অংশগ্রহণকারীরা আওয়াজ তুলেছেন, একটা একটা লীগ ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর। ভারত যাদের নানার বাড়ি, বাংলা ছাড় তাড়াতাড়ি।
তারা জানান, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দমননীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাজপথে প্রতিবাদ করা তাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব। যুবদল মনে করিয়ে দেয় যে, সরকারের লকডাউন ঘোষণার মাধ্যমে জনগণের স্বাধীনতা সীমিত করার চেষ্টা চললেও তারা শান্তিপূর্ণ ও সৃজনশীল প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবে।
বিক্ষোভ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে কাজী আব্দুল ইনসান বলেন, “ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ সময়ের দাবি। যুবদলই হবে জনগণের কণ্ঠ। আমরা লকডাউনের নামে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো ও নিপীড়ন বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় আমরা সর্বদা রাজপথে থাকতে প্রস্তুত।
মিছিলে অন্যান্য বক্তারা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দমননীতি, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক চেতনা রক্ষা করা যুবদলের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিছিল চলাকালীন সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, শহরজুড়ে ছিল ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষও মিছিলে সমর্থন জানায় এবং যুবদের প্রতিবাদকে দৃঢ়ভাবে গ্রহণ করে।
এই মিছিলের মাধ্যমে যুবদল স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দমননীতি এবং লকডাউনের নামে জনগণের স্বাধীনতা হরণ সহ্য করা হবে না।






















