
মোঃ আব্দুল হক লিটনঃ
বিএনপি চেয়ারপারসনের নির্দেশে এবং তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে ময়মনসিংহের ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা জুড়ে সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে এক অভূতপূর্ব মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা।
দুপুর থেকেই দুই উপজেলার সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের ঢল নামে বকশিমুল স্কুল মাঠে। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে বর্ণাঢ্য এই শোভাযাত্রা, যা এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক সমাবেশে রূপ নেয়।
কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশী, যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন শাকিল।
তারাকান্দা বকশিমুল স্কুল মাঠ থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি তারাকান্দা বাজার, তেলিহাটি, ফুলপুর উপজেলা সদর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। পথে পথে ধানের শীষের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে জনপদ। আকাশে উড়তে থাকে দলীয় পতাকা, বাজতে থাকে ঢোল ও মোটরসাইকেলের হর্ন—চারদিক যেন এক মেলার আবহে পরিণত হয়।
দীর্ঘদিন ধরে মাঠ পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করে তোলা, তৃণমূলের কর্মীদের পাশে থাকা ও জনসেবার মানসিকতা, সবকিছু মিলিয়ে ফুলপুর ও তারাকান্দা অঞ্চলে এখন শাকিল নামটি গণমানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন তিনি। কর্মীরা বলছেন, বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষিত হয়েছে, তার প্রতিটি পয়েন্ট বাস্তবায়নের সক্ষমতা ও যোগ্যতা এই নেতার মধ্যেই প্রতিফলিত।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী একজন এমপি প্রার্থী হতে হলে যে যোগ্যতা, সততা, ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও গণমানুষের গ্রহণযোগ্যতা থাকা প্রয়োজন, শাকিল তার সবকটি শর্ত পূরণ করেছেন। তিনি নিজে একজন ত্যাগী রাজনীতিক, কখনো ব্যক্তিস্বার্থে নয়, বরং জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ফুলপুর ও তারাকান্দায় শাকিলই এখন পরিবর্তনের প্রতীক। তার নেতৃত্বে এলাকার তরুণরা রাজনীতিতে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত হচ্ছে।
দুই উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাধারণ মানুষ আক্ষেপ করে বলেছেন, যদি এমন একজন ত্যাগী ও সৎ মানুষকে এমপি মনোনীত করা হয়, তাহলে দুই উপজেলার মানুষ নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারবে। প্রতিবাদ বা রাজনৈতিক বিরোধিতার নামে মামলা-হামলার ভয় থাকবে না।
প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কণ্ঠে এখন একটাই দাবি—ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। এলাকাবাসীর আশা, শাকিল এমপি হলে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও ভয়ভীতি থেকে মুক্ত হবে ফুলপুর-তারাকান্দা।
একজন রাজনৈতিক নেতার দায়িত্ব শুধু ভোটের রাজনীতি নয়, জনগণের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাও তার অঙ্গীকার হওয়া উচিত।
জোবায়েদ হোসেন শাকিল বিশ্বাস করেন, “রাজনীতি মানে মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। রাজনীতি মানে অত্যাচার-নির্যাতনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।
তিনি আরো বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা গণঅভ্যুত্থানের প্রস্তুতি নিচ্ছি। দেশের জনগণ আজ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য, ৩১ দফার বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
দিনভর মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা দেখতে হাজারো মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। অনেকেই ফুল ছুঁড়ে শুভেচ্ছা জানায়। তরুণ কর্মীদের হাতে লিফলেট, মুখে স্লোগান—‘তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায়, পরিবর্তনের পথে বাংলাদেশ’।
বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতারা বলেন, আজকের এই শোডাউন শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি মাঠ পর্যায়ে সংগঠনের শক্তির প্রকাশ। এটি প্রমাণ করেছে, যুবদল এখন ঐক্যবদ্ধ, সংগঠিত এবং পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে ফুলপুর-তারাকান্দার রাজনীতিতে নতুন বার্তা পৌঁছে গেছে। জনগণ বুঝে গেছে, তাদের পক্ষে দাঁড়াতে পারে এমন নেতা এখনও আছে।
একজন রাজনীতিক তখনই গণমানুষের নেতা হয়ে ওঠেন, যখন তিনি তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেন, শাকিল ঠিক সেই রকমই একজন জনবান্ধব নেতা।
দিনের শেষে হাজারো মোটরসাইকেল, শত শত পতাকা, আর হাজারো কণ্ঠের ঐক্যবদ্ধ স্লোগান যেন জানিয়ে দিল,
ফুলপুর ও তারাকান্দার মানুষ এখন এক নতুন আশার পথে হাঁটছে।
আর সেই পথের নেতৃত্বে আছেন, মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন শাকিল, যিনি কর্মী, নেতা ও জনগণের অন্তর থেকে উঠে আসা এক নাম
গণমানুষের আস্থার প্রতীক।






















