
মোঃ আব্দুল হক লিটনঃ
র্যাব-১৪ এর ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে পৃথক অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ ও ডাকাতি মামলার ৬ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাস র্যাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র্যাব-১৪ অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ নয়মুল হাসান।
তিনি আরো জানান, ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানায় দায়ের হওয়া এক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় তিনজন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিম একটি গার্মেন্টসে কর্মরত ১৬ বছরের এক কিশোরী, যার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে অভিযুক্তদের অন্যতম মামুন মিয়া। ১৮ জুলাই রাতে কিশোরীকে রেস্টুরেন্টে খাওয়ানোর কথা বলে ফুঁসলিয়ে নির্জন কলাবাগানে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে কিশোরীকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরে ভিকটিমের বাবা নান্দাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলাটি জনসচেতনতা ও গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র্যাব-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। অভিযুক্ত মামুন মিয়াকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় দায়ের হওয়া একটি তেল ডাকাতির মামলায় আসামি মানিককে গ্রেফতার করেছে সিপিএসসি, ময়মনসিংহ র্যাব-১৪।
বাদী নারায়ণগঞ্জের একটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির কর্মকর্তা। তিনি অভিযোগ করেন, ২৮ নভেম্বর রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে জয়পুরহাটগামী একটি ট্রাকে প্রায় ২০ লাখ টাকার সয়াবিন ও পাম তেল পাঠানো হয়। কিন্তু ২৯ নভেম্বর ভোরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ডিবি পুলিশের পরিচয়ে একদল দুষ্কৃতিকারী ট্রাক থামিয়ে চালক ও হেলপারকে বেঁধে ট্রাকের মালামাল ডাকাতি করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাবের এই কর্মকর্তারা।






















